Traditional Food Festival

Movie Screening

We are a group of professionals

  • Biriyani Festival Preparation

    Biriyani Festival Preparation

    Tongdaemon rooftop paradise event with Korean, Bangladeshi & other foreigners
  • Dance Performance DRP

    Dance Performance DRP

    Tongdaemon rooftop paradise event with Korean, Bangladeshi & other foreigners
  • Cultural get together in Incheon

    Cultural get together in Incheon

    Cultural tour in Incheon with Inha Bangladeshi cultural friends
  • Director Apu's Short Film Project

    Director Apu's Short Film Project

    Short Film Project in Kwangju
  • Cultural parade winner in MAF

    Cultural parade winner in MAF

    1st prize winner in Migrant Arirang Festival 2017
  • Cinema Tour in Ansan

    Cinema Tour in Ansan

    Bangla Cinema Tour in Ansan Myongwha cinema

বাংলাদেশ কালচারাল এসোসিয়েশন ইন কোরিয়া

গঠনতন্ত্র

  • প্রথম অধ্যায়

পরিচিতি

০১. সংগঠনের নাম

বাংলা: বাংলাদেশ কালচারাল এসোসিয়েশন ইন কোরিয়া।

ইংরেজি: Bangladesh Cultural Association in Korea.

কোরিয়ান: 한국방글라데시문화협회

সংক্ষিপ্ত রূপ: বাংলায়: বাসাক, ইংরেজিতে: BaCAK। কোরিয়ানে: BaCAK

গঠনতন্ত্রে সংগঠনের পরিচিতিমূলক সব ক্ষেত্রে ‘বাসাক’ ব্যবহৃত হবে। সংগঠন হতে প্রকাশিত সব ধরনের নথিপত্রে সংগঠনের সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে বাংলায় ‘বাসাক’ এবং ইংরেজিতে: ‘BaCAK’ ব্যবহৃত হবে।

০২. সংগঠনের পরিচিতি: বাসাক দক্ষিণ কোরিয়াতে অবস্থানরত বাংলাদেশী সকল সংস্কৃতিমনা মানুষের প্লাটফর্ম। বাসাকের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ০২.০৪. অনুচ্ছেদে পৃথকভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।

০২. ১. ধরন: বাসাক একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন ।

০২. ২. স্লোগান/মূলমন্ত্র: সংস্কৃতিমনা সকল মানুষের মিলনস্থল

০২.০৩. প্রতীক: লোগো মূলত প্রতিকীরূপ যেহেতু, এর অর্থ একেক জনের কাছে একেক রকম। আমি একটা পাখির অবয়ব আনতে চেয়েছি যার মধ্যে একটা বাদ্যযন্ত্রেরও ছায়া পাওয়া যায়। সবুজ রঙ শ্যামল বাংলা আর পাখির ঝুটি বা বাদ্যযন্ত্রের টিউন করার ধারকটি লাল নীল যা কোরিয়াকে উপস্থাপন করে।

০২. ০৪. উদ্দেশ্য:

ক) প্রবাস জীবনে দেশীয় ও নিজস্ব সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে আনন্দ লাভ ও জীবন উপভোগের মাত্রা বৃদ্ধি ও জাতি হিসেবে উন্নত সংস্কৃতির অধিকারী হওয়া।

খ) বাংলার সংস্কৃতিকে বিশ্বমঞ্চে পরিচিত করানো ও ছড়িয়ে দেওয়া। বাংলাদেশের প্রবাসীদের সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড চালানোর সুযোগ তৈরি করে দেওয়া। এই উদ্দেশ্যে বিভিন্ন অনুষ্ঠানাদির আয়োজন করা। যথাযথ আচারানুষ্ঠানের মাধ্যমে বিশেষ বিশেষ দিনসমূহ উদযাপন করা।

গ) সমগ্র বিশ্বের বিভিন্ন জাতির সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হওয়া, সংগ্রহ, সংমিশ্রন এবং সংরক্ষণ করা।

ঘ) সংস্কৃতিই মানুষকে মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমেই সম্ভব একটি সুসভ্য, নৈতিক ও আদর্শ জাতি প্রতিষ্ঠা। ‘সংস্কৃতি মানুষের অন্তরের চরমভাবাপন্নতা দূর করে হৃদয়ে কোমলতা প্রস্ফুটিত করে’ এই মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে সংস্কৃতিচর্চাকে যাবতীয় মনুষ্যত্ববিবর্জত কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।

ঙ) সংস্কৃতিবান মানুষমাত্রই সামাজিক ক্ষেত্রে দায়বদ্ধ। তাই এই সংগঠন বিদেশের মাটিতে দেশের সুনাম অক্ষুন্ন রাখার জন্য কাজ করে যাবে। নিজেদের আত্মোন্নয়ন ঘটিয়ে তার মাধ্যমে নানাবিধক্ষেত্রে স্বদেশী পরিজনদের জন্য সহযোগীতার হাত বাড়াবে। দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অন্যান্য  সকল ক্ষেত্রে সংগঠন নিজের যথাসাধ্য ভুমিকা রাখবে।

চ) দেশীয় সংস্কৃতি নিয়ে গবেষণা কর্মকান্ড চালানো এবং গবেষণা কর্মকান্ডে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করা।

ছ) নতুন প্রজন্মের কাছে দেশী সংস্কৃতির পরিচয় ঘটনো এবং তাদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।

জ) সমমনষ্ক মানুষের এক ছাতার নিচে এসে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগীতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জীবনমান উন্নয়ন।

দ্বিতীয় অধ্যায়

সদস্য

০৩. সদস্য

সদস্যবৃন্দই একটি সংগঠনের প্রাণ এবং শক্তিমত্তা। আমাদের জীবন ধারনের প্রতিটি অনুষঙ্গই সংস্কৃতির উপাদান, তাই কেউই সংস্কৃতিচর্চার বাইরে নয়। এই বিষয়টি মাথায় রেখে বাসাক সদস্যদের সর্বদা নতুন সদস্য সংগ্রহে নিয়োজিত থাকতে হবে। এই বিষয়ে কমিটিকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় কৌশল প্রণয়ন করতে হবে। সংগঠনের সদস্য সংগ্রহে নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।

০৩. ০১. প্রাথমিকভাবে বাসাকের সাধারণ সদস্যপদ পেতে হলে নিন্মলিখিত বৈশিষ্ট্য থাকতে হবে।

১.  কোরিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশের নাগরিক বা বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত হতে হবে।

২. বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের চেতনায় এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস থাকতে হবে।

৩. জাতি, ধর্ম-মত, লিঙ্গ, অঞ্চল (জেলা ইত্যাদি) নির্বিশেষে বৈষম্যের উর্দ্ধে থাকতে হবে এবং এসব বিষয়ে সম্পূর্ণরূপে সহনশীল থাকতে হবে। সদস্যরা জাতি, ধর্ম, লিঙ্গ ও অঞ্চল বৈষম্যসূচক কোন কিছু প্রকাশ বা কোনো পদক্ষেপ নিতে পারবেন না।

০৪. ০১. সদস্যপদের আবেদন

বাসাক নির্ধারিত একটি সাধারণ সদস্যপদের আবেদনপত্র থাকবে। এটি বাসাকের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পূরণ করে পাঠাতে হবে। প্রত্যেক সদস্যের জন্য পরিচিতি নম্বরসহ পরিচয় পত্র ইস্যু করতে হবে।

০৪. ০২. সদস্যের ধরণ

বাসাক চার ধরনের সদস্যপদ প্রদান করবে।

০৪.০২.০১. সাধারণ সদস্য: ০৪.০১. এ বর্ণিত পদ্ধতিতে আবদেনকারী সদস্যগণ সাধারণ সদস্য হিসেবে পরিচিত হবেন। সদস্যগণ আবেদন পত্র পূরণের সময় প্রথম বছরের নির্ধারিত চাঁদা প্রদানের মাধ্যমে সদস্য হবেন।

০৪.০২.০২. পূর্ণ সদস্য

প্রাথমিক সদস্যদের কর্মতৎপরতা বিবেচনা করে স্বল্প সময়ের (তিন থেকে ছয়মাস) মধ্যে বাসাক কেন্দ্রীয় কমিটি পূর্ণ সদস্যপদ প্রদান করবে। কেন্দ্র পূর্ণ সদস্যের সংখ্যাক্রম প্রদান করবে।

০৪.০২.০৩. সম্মানীয় (Honarary) সদস্য: বাসাকে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিদেশীদের মধ্য হতে সম্মানীয় সদস্য গ্রহণ করা যেতে পারে। তাছাড়া বাংলাদেশ দূতাবাসের বিশেষ পদাধিকারী কিংবা বাংলাদেশের ওয়েলফেয়ারে কাজ করছেন এমন সম্মানীত কিন্তু বাসাকের কর্মকান্ডে যুক্ত নন এমন ব্যক্তিদেরও সম্মানীয় সদস্য হিসেবে গ্রহন করা যেতে পারে।

০৪.০২.০৪. আজীবন সদস্য: বাসাকে কাজের ক্ষেত্রে দীর্ঘ দিন ধরে যারা ভূমিকা পালন করেছেন বা করছেন তাদেরকে আজীবন সদস্যপদ প্রদান করা যেতে পারে। এধরনের সদস্যপদ দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রদান করা হবে।

৪. ০৩. ০১. পরিচিতি নম্বর: সাধারণ নিয়মে ক্রমিকভাবে সদস্য সংখ্যাক্রম চলবে। বিভিন্ন প্রকারের সদস্যদের জন্য নম্বরের শুরুতে বিভিন্ন আদ্যক্ষর থাকবে।

০৪. ০৩. ০২. সাংগঠনিক সকল কাজে প্রত্যেক সদস্য তার পরিচিতি নম্বরের মাধ্যমে পরিচিত হবেন।

০৪. ০৪. সদস্যপদ প্রত্যাহার: নিম্নোক্ত কারণে কোন বাসাক সদস্যের সদস্যপদ প্রত্যাহার করা যেতে পারে: ক) স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে পদত্যাগের লিখিত ইচ্ছা প্রকাশ করলে; খ) স্থায়ীভাবে দক্ষিন কোরিয়া ত্যাগ করলে, গ) গঠনতন্ত্র বিরোধী কোনো কাজ করলে, ঘ) বাসাকের সুনাম, আদর্শ, উদ্দেশ্য ও কার্যক্রমকে ব্যহত করে এমন কোন তৎপরতায় লিপ্ত হলে; ঙ) বাসাকের সুনাম ব্যবহার করে বানোয়াট বা বিকৃত তথ্য বা সংবাদের মাধ্যমে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করার চেষ্টা করলে।

০৪. ০৫. কোনো সদস্য পদত্যাগ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি অ্যালমনাই এসোসিয়েশনে অন্তুর্ভুক্ত হবেন।

তৃতীয় অধ্যায়

গঠন ও পরিচালনা পদ্ধতি

০৫: গঠন পদ্ধতি: এই সংগঠন নিম্নলিখিতভাবে গঠিত হবে:

ক. জাতীয় সম্মেলন; খ. জাতীয় কমিটি; গ. কেন্দ্রীয় কমিটি; ঘ. শাখা কমিটি

০৬. জাতীয় সম্মেলন

০৬. ০১. জাতীয় সম্মেলন এই সংগঠনের সর্বোচ্চ সংঘ। পূর্ববর্তী জাতীয় সম্মেলনে নির্বাচিত কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যবর্গ এবং প্রতি দশজন সদস্যে একজন প্রতিনিধি এই হারে শাখা কমিটি হতে প্রেরিত প্রতিনিধি দ্বারা জাতীয় সম্মেলন গঠিত হবে। সাধারণ সদস্যদের পর্যবেক্ষণের জন্য সম্মেলন উন্মুক্ত থাকবে। নিয়মিত ও পূর্ণ সদস্যদের ভোটাধিকার থাকবে।

০৬. ০২. জাতীয় সম্মেলন প্রতি দুই বছরে অন্তত একবার অনুষ্ঠিত হবে। তবে বিশেষ অবস্থায় কেন্দ্রীয় কমিটি এই সম্মেলনের সময় সূচী পরিবর্তন করতে পারবে।

০৬. ০৩. জাতীয় সম্মেলনের সমস্ত সিদ্ধান্ত সম্মেলনে উপস্থিত প্রতিনিধিবর্গের প্রত্যক্ষ ও সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে নির্বাচিত হবে।

০৬. ০৪. মোট প্রতিনিধির ৮০ শতাংশের সমর্থনের ভিত্তিতে জাতীয় সম্মেলনে গঠনতন্ত্রের কোনো ধারার পরিবর্তন, পরিবর্ধন, রদ বা নতুন ধারার সংযোজন করা যাবে।

০৭.

(০৭.০১. গঠন: কেন্দ্রীয় কমিটি, প্রত্যেক শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বা শাখা হতে নির্বাচিত দুইজন প্রতিনিধিকে নিয়ে জাতীয় কমিটি গঠিত হবে।

০৭.০২. জাতীয় কমিটির সভা বছরে অন্তত একবার অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় কমিটি সংগঠনের সার্বিক কর্মকান্ড মূল্যায়ন করবেন। এবং প্রয়োজনীয় কর্মসূচী দেবেন। অন্তত ১৫ দিনের নোটিশে জাতীয় কমিটির সভা আহ্বান করতে হবে।

০৭.০৩. জাতীয় কমিটি কেন্দ্রীয় কাজের ব্যাখ্যা চাইতে পারবে, দুই তৃতীয়াংশের মতামতের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় কমিটিকে বিলুপ্ত করতে পারবে। বিশেষ অবস্থায় কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারবে।)

০৮. কেন্দ্রীয় কমিটি: কেন্দ্রীয় কমিটি জাতীয় সম্মেলনের উপস্থিত প্রতিনিধি বর্গের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হবে। কেবল পূর্ণ ও আজীবন সদস্য হতে কেন্দ্রীয় কমিটি নির্বাচিত হবে। কোনো রাজনৈতিক বা ধর্মীয় সংগঠনের নির্বাহী পদে থাকা অবস্থায় বাসাকের জাতীয় বা কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হওয়া যাবে না।

০৮.০১. কেন্দ্রীয় কমিটির অধিকার: সংগঠনের কর্মনীতি, বাজেট, কর্মপদ্ধতি, অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা নির্ধারণ করবে এবং সেই অনুযায়ী যাবতীয় কর্মকান্ড পরিচালনা করবে।

০৮. ০২. কেন্দ্রীয় কমিটির কর্তব্য: বাসাকের সামগ্রিক কেন্দ্রীয় কর্মকান্ড ও কার্যক্রম পর্যালোচনা করবে এবং বিগত বৎসরের কর্মতৎপরতার মূল্যায়ন করবে।

০৮. ০৩. কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সংখ্যা: কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সংখ্যা ন্যূনতম ১৬ সদস্য বিশিষ্ট হবে।

কেন্দ্রীয় কমিটি হবে নিম্নরূপ:

ক) সভাপতি, খ) সহ-সভাপতি, গ) সাধারণ সম্পাদক, ঘ) যুগ্ম সম্পাদক, ঙ) কোষাধ্যক্ষ, চ) সাংগঠনিক সম্পাদক, ছ) প্রচার সম্পাদক জ) প্রকাশনা সম্পাদক, ঝ) সাহিত্য সম্পাদক ঞ) সাংস্কৃতিক সম্পাদক প্যানেল ট) দপ্তর সম্পাদক, ঠ) শাখা সংগঠক, ড) পাঁচজন সদস্য।

০৯. ০১. কেন্দ্রীয় কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলী:

০৯. ০২. কেন্দ্রীয় কার্যালয় হবে দক্ষিন কোরিয়ার রাজধানী সিউলে।

০৯. ০৩. কেন্দ্রীয় কমিটির আকার প্রয়োজন বোধে পরিবর্তিত হতে পারবে। উদাহরণ: বাসাক কর্তৃক কোনো গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হলে একজন গ্রন্থাগার সম্পাদক নিযুক্ত হবেন।

ক) সভাপতি: বাসাকের সকল ব্যাপারে সাধারণ সম্পাদককে বস্তুনিষ্ঠ পরামর্শ দেবেন। বাসাকের মুখপাত্র হিসাবে কাজ করবেন। কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষে গঠনতন্ত্রের ব্যাখ্যা দেবেন।

খ) সহ-সভাপতি: সভাপতির প্রয়োজন ও পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করবেন। সভাপতির অনুপস্থিতিতে সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

গ) সাধারণ সম্পাদক: সভাপতির ও সহসভাপতির অনুপস্থিতিতে সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। কেন্দ্রীয় কমিটির সভা আহ্বান করবেন। অনান্য সম্পাদকদিগের কাজের তদারকি ও সমম্বয় করবেন।

ঘ) যুগ্ম সম্পাদক: (সহকারী সাধারণ সম্পাদক), সাধারণ সম্পাদকের প্রয়োজন এবং পরামর্শ অনুযায়ী সাধারণ সম্পাদকের কাজে সাহায্য করবেন। সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে ওই ভুমিকায় কাজ করবেন।

ঙ) কোষাধ্যক্ষ: কোষ সঞ্চয়ন ও রক্ষাণাবেক্ষণ করবেন। সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক, অথবা উভয়ের সহিত যৌথ ভাবে ব্যাংক একাউন্ট পরিচালনা করবেন, অর্থ ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব রাখবেন। একটি নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ নিজ দায়িত্বে খরচ করতে পারবেন। এর অধিক খরচের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন দরকার হবে।

চ) সাংগঠনিক সম্পাদক: সংগঠনের প্রচার ও প্রসারে কাজ করবেন। সদস্য সংগ্রহে কাজ করবেন। সাংগঠনিক তৎপরতা চালাবেন। অনলাইন সামাজিক মাধ্যম পরিচালনা করবেন।

ঙ) প্রচার সম্পাদক: প্রচারমূলক কর্মতৎপরতা পালন করবেন। গণমাধ্যমের সাথে যোগাযোগ রাখবেন এবং বাসাকের কর্মকান্ড বিষয়ে অবহিত করবেন। অনলাইন সামাজিক মাধ্যম পরিচালনা করবেন।

চ) প্রকাশনা সম্পাদক: সকল রকম প্রকাশনা বিষয়ক দায়িত্ব পালন করবেন। একটি নিয়মিত মাসিক/ত্রৈমাসিক পত্রিকা প্রকাশ করবেন এবং তার প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

ছ) শাখা সংগঠক: সকল শাখার সাথে যোগাযোগ রক্ষা করবেন। নতুন শাখা তৈরির ব্যবস্থা করবেন।

ঝ) সাহিত্য সম্পাদক: সাহিত্য বিষয়ক সকল কর্মকান্ডের দায়িত্বে থাকবেন এবং বাসাকের মাসিক/দ্বিমাসিক/ত্রৈমাসিক পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন।

ঝ) সাংস্কৃতিক সম্পাদক প্যানেল: ন্যূনতম তিন সদস্য নিয়ে এই প্যানেল গঠিত হবে। এই প্যানেল বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ডিজাইন এবং বিষয়বস্তু নিয়ে কাজ করবে, পারফর্মারদের সংগঠিত করবে এবং পারফর্মেন্স চূড়ান্ত করবে।

ঝ) দপ্তর সম্পাদক: সর্ব প্রকারের নথিপত্র সংরক্ষণের দায়িত্ব তাঁর। চিঠিপত্র গ্রহণ, প্রেরণ, সংরক্ষণ এবং সভা সমূহের ধারা বর্ণনা সংরক্ষণ করাও তাঁর দায়িত্ব।

১০. উপদেষ্টা পরিষদ: সর্বাঙ্গীন সুন্দর, সার্থক ও সুসংগঠিত সংগঠন গড়ে তুলতে উপদেশ, পরামর্শ দিয়ে কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটিকে সাহায্য করার জন্য একটি উপযুক্ত উপদেষ্টা পরিষদ থাকতে পারে। উপদেষ্টা পরিষদ, কমিটির সদস্যদের সম্মতিক্রমে মনোনীত হবেন। উপদেষ্টাগণের নির্বাহী সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকবে না।

১১. কার্যপ্রণালীবিধি: কেন্দ্রীয় এবং শাখা কমিটির সদস্যবৃন্দ কেন্দ্র প্রণীত কার্যপ্রণালীবিধি অনুযায়ী নিয়মিত ষান্মাষিক/ত্রৈমাসিক/মাসিক রিপোর্ট প্রদান করবেন।

১২. শাখা: বিশ্ববিদ্যালয়, অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও অঞ্চলের ভিত্তিতে (কোরিয়ার যেখানে বাংলাদেশীদের গোষ্ঠীবদ্ধ অবস্থা তৈরি হয়েছে) বাসাকের শাখা সংগঠন গড়ে উঠবে।

১২. ০১: নতুন শাখা গঠনের পূর্বে একটি প্রস্ততি কমিটি গঠন করে প্রস্তাবিত শাখার প্রস্তুতিমূলক কাজ পরিচালনা করা যেতে পারে। প্রস্তাবিত শাখা: যে শাখা গঠনের প্রস্তুতি চলছে অর্থাৎ যে শাখা গঠনের প্রস্তাব হয়েছে কিন্তু গঠিত হয়নি।

১২. ০২: ন্যূনতম পাঁচজন সদস্য নিয়ে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ, প্রকল্প ব্যবস্থাপক, দপ্তর সম্পাদকের অত্যাবশ্যক পদ পূরণ করে একটি প্রস্তাবিত শাখা অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রে আবেদন করতে পারবে।

১২. ০৩: শাখা কমিটি: শাখা কমিটি হবে নিন্মরূপ.ক) সভাপতি, খ) সাধারণ সম্পাদক, গ) যুগ্ম-সা. সম্পাদক, ঘ) কোষাধ্যক্ষ, ঙ) সাংগঠনিক সম্পাদক, চ) প্রচার সম্পাদক ছ) প্রকাশনা সম্পাদক, জ) সাংস্কৃতিক সম্পাদক প্যানেল ঝ) দপ্তর সম্পাদক, ঞ) পাঁচজন সদস্য। শাখার তৎপর সদস্যদের ভোটে শাখা কমিটি নির্বাচিত হবে।

১২. ০৪. শাখা সংগঠনের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য পরিচালনা কমিটির কর্মকর্তাদের অনুরূপ, তাদের কর্মকান্ডের পরিধি ও ক্ষমতা নির্দিষ্ট শাখার গন্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকবে।

১৩. শাখা সংগঠনের অধিকার ও কর্তব্য:

১৩. ০১. অধিকার: শাখার ব্যাপারে যাবতীয় অনুষ্ঠান ও ব্যয় পরিকল্পনা গ্রহণ ও তার বাস্তবায়নের অধিকার থাকবে শাখা ক্লাবের। শাখার তহবিল সঞ্চয় ও পরিচালনা এবং পরিকল্পনা মাফিক তা ব্যয় করার অধিকার থাকবে। প্রয়োজন অনুযায়ী সদস্যদের কাছ হতে নিয়মিত বা এককালীন চাঁদা সংগ্রহ করতে হবে এবং অন্যান্য সম্ভাব্য সূত্র হতে অনুদান গ্রহণ করতে পারবে। শাখার কোন নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানের প্রয়োজনে কেন্দ্রের নিকট যৌক্তিক সাহায্য চাইতে পারবে।

১৩. ০২. কর্তব্য: ক) বাসাকের আদর্শ, উদ্দেশ্য প্রচার করবে। খ) কেন্দ্রীয় কমিটির তৎপরতায় অংশগ্রহণের জন্য প্রতিনিধি প্রেরণ করবে। গ) মাসিক রিপোর্ট কেন্দ্রে প্রেরণ করবে। ঘ) শাখা তার আদায়কৃত ১০ ভাগ চাঁদা লেভি হিসেবে কেন্দ্রে প্রেরণ করবে। ঙ) সংস্কৃতি চর্চা ও প্রশিক্ষণের ব্যাবস্থা করবে চ) কেন্দ্রের অনুরূপ পত্রিকা প্রকাশ ও গ্রন্থাগার এবং ওয়ার্কশপ আয়োজনের চেষ্টায় থাকবে। ছ) কেন্দ্রীয় পত্রিকার নির্দিষ্ট কোটা বন্টন করবে। জ) শাখা গঠিত হওয়ার পনের দিনের মধ্যে কেন্দ্রকে অভিহিত করতে হবে। ঝ) কেন্দ্রের অন্যান্য প্রয়োজনে সাহায্য করতে সচেষ্ট থাকবে। ঞ) শাখার কোষ ব্যাংকে জমা রাখবে এবং কোষাধ্যক্ষ অনুচ্ছেদে উল্লেখিত পদ্ধতিতে ব্যাংক একাউন্ট পরিচালনা করবে এবং সকল আয় ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব রাখবে।

১৪. কোরাম ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ

বাসাকের যে কোন সভায় অধিকার সম্পন্ন সদস্যদের তিন ভাগের এক ভাগ উপস্থিত থাকলে সভা কোরাম হবে। গঠনতন্ত্রে উল্লেখিত বিষয় ব্যতিরেকে উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠদের মতামতের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।

চতুর্থ অধ্যায়

কার্যক্রম ও কার্যকৌশল

১৫. বাসাকের অবশ্যপালনীয় কর্মকান্ড কিছু সুনির্দিষ্ট পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। এই কর্মকান্ডগুলো যথাযথভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর কেন্দ্রীয় ও শাখা কমিটি বাড়তি কর্মকান্ড পরিচালনা করবে।

১৫. ০১. দক্ষিন কোরিয়ার বিভিন্ন বাংলাভাষী অধ্যুষিত স্থানে কেন্দ্রীয় কমিটি প্রতিমাসে একটি করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে। এর মাধ্যমে সংস্কৃতি চর্চা বেগবান হবে, বাসাকের পরিচিতি প্রতিষ্ঠিত হবে এবং সদস্য সংগ্রহ হবে। অনুষ্ঠানে উল্লেখযোগ্যহারে স্থানীয়দের সংযুক্তি ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

১৫. ০২. কেন্দ্রীয় কমিটি ও শাখা কমিটি প্রতি সপ্তাহে একটি, কিংবা সম্ভব না হলে দুই সপ্তাহে একটি করে সাধারণ সভা নিয়মিতভাবে আয়োজন করবে। এটি হবে সংস্কৃতি চর্চামূলক এবং সংগঠনের বিভিন্ন তৎপরতা বিষয়ক আলোচনা সভা। তাছাড়া এতে বিশেষ বিশেষ বিষয় নিয়ে আলোচনা সভাও হতে পারে। কোনো সদস্য পরপর তিনটি সধারণ সভায় অনুপস্থিত থাকলে তিনি অতৎপর সদস্য হিসেবে বিবেচিত হবেন। অতৎপর সদস্যবৃন্দ বিভিন্ন সভায় ভোট প্রদানের ক্ষমতা হারাবেন।

১৫. ০৩. কেন্দ্রীয় ও শাখা কমিটি পৃথকভাবে প্রতি দুই মাসে একটি স্বশরীর কমিটি সভায় মিলিত হবেন এবং বিকল্প মাসগুলোতে অনলাইন সভায় মিলিত হবেন। এই সভায় কমিটির যাবতীয় কর্মকান্ডের সমন্বয় করা হবে, সকল কমিটি সদস্যের কর্মতৎপরতা দেখা হবে, কার্যপ্রণালী নির্ধারণ করা হবে, আয়-ব্যয়ের হিসেব নেওয়া হবে এবং কর্ম কৌশল প্রণয়ন করা হবে। কোনো কমিটি সদস্য পরপর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকলে তার কমিটির সদস্য পদ বাতিল হবে এবং তিনি কেবল পূর্ণ সদস্য হিসেবে বহাল থাকবেন।

১৫. ০৪. কেন্দ্রীয় কমিটি একটি নিয়মিত অনলাইন সাময়িকী প্রকাশ করবে। এটি হবে মাসিক, একান্তই সম্ভব না হলে দ্বিমাসিক বা ত্রৈমাসিক।

১৫. ০৪. ০১. পত্রিকার সম্পাদক বছরে একবার পরিচালনা কমিটির সভায় পত্রিকার বিস্তারিত রিপোর্ট, আয়ব্যয়ের হিসাবসহ পেশ করবেন। পত্রিকা সুষ্ঠুরূপে পরিচালনা ও বিভিন্ন ব্যাপারে পরামর্শ দেয়ার জন্য একটি উপদেষ্টামন্ডলী থাকবে। মনোনীত করবে কেন্দ্রীয় কমিটি।

১৫. ০৪. ০২. পত্রিকায় বাসাকের সদস্যদের রচনা স্থান পাবে। এতে বাসাকের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, কর্মকান্ড ইত্যাদির প্রচার ও প্রসারের ব্যবস্থা থাকবে। বাসাকের নানাবিধ সংবাদ প্রকাশিত হবে।

১৫. ০৪. ০৩. শাখা কমিটি নিয়মিত সাময়িকী প্রকাশ করতে পারে। সেই ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় কমিটি যথাসাধ্য সাহায্য করবে।

১৬. বাংলাদেশের জাতীয় দিবসগুলোর সাথে মিল রেখে কেন্দ্রীয় কমিটি অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে উদযাপন করবে। এর মধ্যে থাকবে:

১৬. ০১. একুশে ফেব্রুয়ারীর প্রথম প্রহরে আনসানে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হবে।

১৬. ০২. স্বাধীনতা ও বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করা হবে। বাংলাদেশের অভ্যুদয়, স্বাধীনতার ইতিহাস ও গণহত্যা তুলে ধরে ফটো এক্সিবিশন এবং/অথবা চলচ্চিত্র প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে।

১৬. ০৩. পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে মঙ্গল শোভাযাত্রা, দেশীয় খাবার পরিবেশন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করা হবে।

১৬. ০৪. বছরে একবার চলচ্চিত্র উৎসব আয়োজন করা হবে।

১৬. ০৫. প্রতিটি অনুষ্ঠান পালনের সম্ভাব্য দিন হবে নির্দিষ্ট দিনটির পরবর্তী নিকটবর্তী ছুটির দিনে। কোনো বিশেষ দিবস সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পড়ে গেলে ওই দিনেই অনুষ্ঠান পালন করতে হবে।

১৬. ০৬. সবধরনের গণ অনুষ্ঠানে কোরীয় ও দেশী-বিদেশীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিতে চেষ্টা করতে হবে।

১৭. উপরে উল্লিখিত নিয়মিত অনুষ্ঠানসমূহের বাইরে নানাবিধ অনুষ্ঠান আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এসব অনুষ্ঠান বাধ্যতামূলক নয় এবং অনিয়মিত হবে। তবে ভবিষ্যৎ সদস্যদের বিবেচনার প্রেক্ষিতে স্থায়ী রূপ দেওয়া গেলে সেটি হবে উৎসাহব্যাঞ্জক। উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যেতে পারে: ক. বিরিয়ানী উৎসব, গ. বাউল সন্ধ্যা ইত্যাদি।

১৮. অন্য কোনো সংগঠনের সাথে যৌথভাবে কোনো অনুষ্ঠান আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করা যেতে পারে। তবে তা যথাযথ লিখিত চুক্তির মাধ্যমে করতে হবে।

১৭. অর্থের যোগান। সংগঠন পরিচালনার জন্য বিপুল পরিমান অর্থের যোগানের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। অর্থের যোগানের জন্য কয়েকটি পদ্ধতির সুপারিশ রাখা হচ্ছে।

১৭. ০১. সদস্যদের নিয়মিত চাঁদা: প্রতেক সদস্য খুব সামান্য পরিমানে হলেও মাসিক চাঁদা প্রদান করবেন। প্রাথমিক ভাবে এই পরিমান মাসে ২০০০ ওউন। মাসিক চাঁদা  প্রতি বছরের শুরুতে এককালীন সংগ্রহ করা হবে।

১৭. ০২. বিশেষ চাঁদা: বিশেষ বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য সদস্যদের এবং অংশগ্রহনকারীদের কাছ হতে নির্ধারিত চাঁদা গ্রহণ করা হবে এবং অনির্ধারিত অনুদান সংগ্রহের ব্যবস্থা করতে হবে।

১৭. ০৩. সরকারী বেসরকারী নানা ধরনের ফান্ডের জন্য আবদেন করতে হবে। স্পন্সরশিপ পাওয়ার জন্য চেষ্টা করতে হবে।

১৮. বাসাক নিজ সদস্যদের জন্য এবং বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের জন্য সাংস্কৃতিক একাডেমি প্রতিষ্ঠা করবে।

গঠনতন্ত্র রচনা

১. প্রথমিক খসড়া রচয়িতা: ইমতিয়াজ আহমেদ

২. গঠনতন্ত্র প্রণয়ন কমিটির সদস্য:

    ক. ইমতিয়াজ আহমেদ

    খ. মাহবুব লী

    গ. তাবাসসুম নাসরীন হক

    ঘ. মারুফ আহমেদ ইফতি

    ঙ. কেশব কুমার অধিকারী

সমাপ্ত

BaCAK’র সদস্য পদের জন্য আবেদন 

BaCAK দক্ষিণ কোরিয়াতে অবস্থানরত বাংলাদেশী আর্টিস্টদের প্লাটফর্ম। শুধুমাত্র আর্টিস্ট নয়, সংস্কৃতিমনা সকল মানুষের মিলনস্থল বাংলাদেশ কালচারাল এসোসিয়েশন ইন কোরিয়া। আর আপনি যদি আমাদের এই কর্মকাণ্ডে আংশ নিতে ইচ্ছুক হন তাহলে নিচের বাটনে ক্লিক করে সদস্যপদের জন্য আবেদন করুন। আমাদের সংগঠন সদস্যদের চাঁদা এবং অনুদানের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। কোন প্রকার ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সাথে যুক্ত নয়, বছরের উল্লেখযোগ্য অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে বৈশাখী উৎসব, সিউল বাংলা চলচ্চিত্র উৎসব, বিরিয়ানি উৎসব ও নিয়মিত মিলন মেলার আসর। এছাড়াও আমরা সিউল বাংলা রেডিও পোডকাস্ট পরিচালনা করে থাকি। ধন্যবাদ 
 
 

Verification

মুন্না